১. গুপ্তদের শক্তির কেন্দ্রস্থল কোথায় ছিল?
উত্তর ঃ গুপ্তদের শক্তির কেন্দ্রস্থলন ছিল প্রয়াগ।
২. কে কবে গুপ্ত রাজবংশের সূচনা করেছিলেন? *
উত্তর ঃ আনুমানিক ২৭৫ খ্রিস্টাব্দে শ্রীগুপ্ত কর্তৃক গুপ্ত বংশের সূচনা হয়েছিল।
৩. মহাকবি কালিদাসের লেখা কয়েকটি গ্রন্থের নাম লেখ। *
উত্তর ঃ মহাকবি কালিদাসের লেখা কয়েকটি গ্রন্থ হল 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' , 'মেঘদূতম' , 'রঘুবংশ' , 'কুমারসম্ভবম' , 'ঋতুসংহার' , 'মালবিকাগ্নিমিত্রম' ইত্যাদি।
৪. 'নীতিসার' গ্রন্থটি কে রচনা করেন? *
উত্তর ঃ 'নীতিসার' গ্রন্থটি রচনা করেন কামন্দক।
৫. 'কৌমুদী মহোৎসব' গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
উত্তর ঃ 'কৌমুদী মহোৎসব' গ্রন্থটি রচনা করেন বজ্জিকা।
৬. 'দেবীচন্দ্রগুপ্তম' নাটকটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'দেবীচন্দ্রগুপ্তম' নাটকটি রচনা করেছেন বিশাখদত্ত।
৭. প্রবরসেনের লেখা নাটকটির নাম কী?
উত্তর ঃ প্রবরসেনের লেখা নাটকটির নাম হল 'সেতুবন্ধ'।
৮. সোমদেবের লেখা নাটকটির নাম কী? *
উত্তর ঃ সোমদেবের লেখা নাটকটির নাম হল 'কথাসরিৎসাগর'।
৯. 'স্বপ্নবাসবদত্তা' নাটকটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'স্বপ্নবাসবদত্তা' নাটকটি রচনা করেছেন ব্যাস।
১০. 'মৃচ্ছকটিকম' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'মৃচ্ছকটিকম' গ্রন্থটি রচনা করেছেন শূদ্রক।
১১. 'মৃচ্ছকটিকম' গ্রন্থটি থেকে কাদের ভালবাসার কথা জানা যায়?
উত্তর ঃ 'মৃচ্ছকটিকম' গ্রন্থটি থেকে চারু দত্ত ও বসন্তসেনার ভালবাসার কথা জানা যায়।
১২. ফা-হিয়েন রচিত গ্রন্থটির নাম কী? *
উত্তর ঃ ফা-হিয়েন রচিত গ্রন্থটির নাম হল 'ফো-কুয়ো-কি'।
১৩. প্রয়াগ প্রশস্তির অপর নাম কী?
উত্তর ঃ প্রয়াগ প্রশস্তির অপর নাম হল এলাহাবাদ প্রশস্তি।
১৪. এলাহাবাদ প্রশস্তি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ এলাহাবাদ প্রশস্তি রচনা করেছেন হরিষেণ।
১৫. হরিষেণ কার সভাকবি ছিলেন? *
উত্তর ঃ হরিষেণ ছিলেন সমুদ্রগুপ্তের সভাকবি।
১৬. মেহেরৌলির স্তম্ভলেখতে উল্লিখিত 'চন্দ্র' রাজা সম্ভবত কে?
উত্তর ঃ মেহেরৌলির স্তম্ভলেখতে উল্লিখিত 'চন্দ্র' রাজা সম্ভবত দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
১৭. বুধগুপ্তের সময়কার জমি-বন্দোবস্ত সম্পর্কে জানা যায় কী থেকে?
উত্তর ঃ বুধগুপ্তের সময়কার জমি-বন্দোবস্ত সম্পর্কে জানা যায় পাহাড়পুর তাম্রশাসন থেকে।
১৮. ভিতরি স্তম্ভলিপি থেকে কার কথা জানা যায়? *
উত্তর ঃ ভিতরি স্তম্ভলিপি থেকে গুপ্তসম্রাট স্কন্দগুপ্তের কথা জানা যায়।
১৯. গুপ্ত শিলালেখগুলি কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর ঃ গুপ্ত শিলালেখগুলি দুই প্রকার । যথা - সরকারি ও বেসরকারি। মোট ৪২ টি শিলালেখের মধ্যে ২৩ টি বেসরকারি ও ১৯ টি সরকারি।
২০. কোন মুদ্রা থেকে বৈষ্ণব অনুরাগের কথা জানা যায়?
উত্তর ঃ 'চক্র-বিক্রম' মুদ্রা থেকে বৈষ্ণব অনুরাগের কথা জানা যায়।
২১. শ্রীগুপ্তের উপাধি কী ছিল?
উত্তর ঃ শ্রীগুপ্তের উপাধি ছিল 'মহারাজা'।
২২. 'পুণা তাম্রশাসন' কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'পুণা তাম্রশাসন' রচনা করেছেন প্রভাবতী গুপ্তা।
২৩. গুপ্ত রাজবংশের অধিরাজ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর ঃ শ্রীগুপ্তকে গুপ্ত রাজবংশের অধিরাজ বলা হয়েছে।
২৪. শ্রীগুপ্তের পুত্রের নাম কী ছিল?
উত্তর ঃ শ্রীগুপ্তের পুত্রের নাম ছিল ঘটোৎকচগুপ্ত।
২৫. প্রথম চন্দ্রগুপ্তের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর ঃ প্রথম চন্দ্রগুপ্তের পিতার নাম ছিল ঘটোৎকচগুপ্ত।
24mcq
২৬. গুপ্তবংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? *
উত্তর ঃ শ্রীগুপ্ত প্রতিষ্ঠিত গুপ্তবংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন প্রথম চন্দ্রগুপ্ত।
২৭. প্রথম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কী ছিল?
উত্তর ঃ প্রথম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি ছিল 'মহারাজাধিরাজ'।
২৮. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত কাকে বিবাহ করেছিলেন?
উত্তর ঃ বৈশালীর লিচ্ছবি রাজকন্যা কুমারদেবীকে বিবাহ করেছিলেন গুপ্তসম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ।
২৯. কোন গুপ্তসম্রাট গুপ্তাব্দের প্রচলন করেছিলেন? *
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্ত গুপ্তাব্দের প্রচলন করেছিলেন।
৩০. প্রথম চন্দ্রগুপ্তের পরে কে সিংহাসনে বসেছিলেন?
উত্তর ঃ প্রথম চন্দ্রগুপ্তের পরে গুপ্ত বংশের সিংহাসনে বসেছিলেন সমুদ্রগুপ্ত।
৩১. 'লিচ্ছবি দৌহিত্র' কাকে বলা হয়? *
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্তকে 'লিচ্ছবি দৌহিত্র' বলা হয়।
৩২. কোন কোন বৌদ্ধপণ্ডিত সমুদ্রগুপ্তের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন?
উত্তর ঃ বৌদ্ধপণ্ডিত বসুবন্ধু ও অসঙ্গ সমুদ্রগুপ্তের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন।
৩৩. সমুদ্রগুপ্ত কী কী উপাধি নিয়েছিলেন?
উত্তর ঃ সমুদ্রগুপ্ত 'অশ্বমেধ-পরাক্রম', 'পরাক্রমাঙ্ক ', 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা', 'অপ্রতিরথ', 'কবিরাজ' ইত্যাদি উপাধি নিয়েছিলেন।
৩৪. এলাহাবাদ প্রশস্তিতে সমুদ্রগুপ্তকে কী কী নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
উত্তর ঃ এলাহাবাদ প্রশস্তিতে সমুদ্রগুপ্তকে 'শতযুদ্ধের নায়ক', 'মর্তলোকের ঈশ্বর', 'ধনদা বরুণেন্দ্রন্তক-সম', 'কৃতান্তের যুদ্ধ-কুঠার' ইত্যাদি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
৩৫. কোন গুপ্তসম্রাটকে 'ভারতের নেপোলিয়ন' বলা হয়? *
উত্তর ঃ 'ভারতের নেপোলিয়ন' বলা হয় গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্তকে।
৩৬. কবিরাজ কাকে বলা হয়?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্তকে কবিরাজ বলা হয়।
৩৭. একরাট উপাধি কে গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর ঃ একরাট উপাধি গ্রহণ করেছিলেন গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্ত ।
৩৮. গ্রহণ ও পরিমোক্ষ নীতি কে গ্রহণ করেছিলেন? *
উত্তর ঃ দাক্ষিণাত্যে ১২ জন রাজাকে পরাজিত করে তাদের কাছ থেকে কর ও আনুগত্যের বিনিময়ে সমুদ্রগুপ্ত তাদের রাজ্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। দাক্ষিণাত্যের ক্ষেত্রে গৃহীত সমুদ্রগুপ্তের এই নীতি 'গ্রহণ ও পরিমোক্ষ' নীতি নামে পরিচিত।
৩৯. সমুদ্রগুপ্ত কাকে বুদ্ধগয়ায় বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন? *
উত্তর ঃ সমুদ্রগুপ্ত সিংহলরাজ মেঘবর্মণকে বুদ্ধগয়ায় বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন।
৪০. কোন গুপ্তসম্রাট উজ্জয়িনীতে দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করেছিলেন?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করেছিলেন উজ্জয়িনীতে।
৪১. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের বৌদ্ধ সেনাপতির নাম কী ছিল?
উত্তর ঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের বৌদ্ধ সেনাপতির নাম ছিল আম্রকর্দব।
৪২. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত কী কী উপাধি গ্রহণ করেছিলেন? *
উত্তর ঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 'বিক্রমাদিত্য', 'পরম ভাগবত', 'শকারি' ইত্যাদি উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।
৪৩. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত কাদের উচ্ছেদ করে 'শকারি' উপাধি নিয়েছিলেন? *
উত্তর ঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 'শক-ক্ষত্রপ'দের উচ্ছেদ করে 'শকারি' উপাধি নিয়েছিলেন।
৪৪. 'শকারি' কথাটির অর্থ কী?
উত্তর ঃ 'শকারি' কথাটির অর্থ হল যিনি শকদের পরাজিত করেছেন।
৪৫. ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতে এসেছিলেন? *
উত্তর ঃ ফা-হিয়েন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময়ে ভারতে এসেছিলেন।
৪৬. নবরত্ন-রা কার রাজসভা অলংকৃত করেছিলেন?
উত্তর ঃ নবরত্ন-রা দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজসভা অলংকৃত করেছিলেন।
৪৭. নবরত্ন কারা ছিলেন? *
উত্তর ঃ কালিদাস, ধন্বন্তরি, ক্ষপণক, শঙ্কু, বেতালভট্ট, ঘটকর্পর, অমরসিংহ, বরাহমিহির, বররুচি -এই নয় জনকে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজসভার নবরত্ন বলা হত।
৪৮. কে কবে 'বিক্রমসম্বৎ' প্রচলন করেছিলেন? *
উত্তর ঃ ৫৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিক্রমাদিত্য 'বিক্রমসম্বৎ' প্রচলন করেছিলেন।
৪৯. নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় কে স্থাপন করেছিলেন? *
উত্তর ঃ প্রথম কুমারগুপ্ত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন।
৫০. কার শাসনকালকে 'শান্তি ও সমৃদ্ধির যুগ' বলা হয়?
উত্তর ঃ প্রথম কুমারগুপ্তের শাসনকালকে 'শান্তি ও সমৃদ্ধির যুগ' বলা হয়।
24mcq
৫১. কোন গুপ্তসম্রাট 'মহেন্দ্রাদিত্য' উপাধি নিয়ছিলেন?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট প্রথম কুমারগুপ্ত 'মহেন্দ্রাদিত্য' উপাধি নিয়ছিলেন।
৫২. গুপ্তসম্রাট প্রথম কুমারগুপ্ত কার উপাসক ছিলেন?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট প্রথম কুমারগুপ্ত শিব ও কার্তিকের উপাসক ছিলেন।
৫৩. প্রথম কুমারগুপ্তের পরে কে গুপ্তবংশের সিংহাসনে বসেছিলেন?
উত্তর ঃ প্রথম কুমারগুপ্তের পরে গুপ্তবংশের সিংহাসনে বসেছিলেন স্কন্দগুপ্ত ।
৫৪. কে কাকে ভারতের রক্ষাকারী বলেছেন? *
উত্তর ঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার গুপ্তসম্রাট স্কন্দগুপ্তকে ভারতের রক্ষাকারী বলেছেন।
৫৫. কে কাকে গুপ্তবংশের 'শ্রেষ্ঠ বীর' বলেছেন? *
উত্তর ঃ হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী স্কন্দগুপ্তকে গুপ্তবংশের 'শ্রেষ্ঠ বীর' বলেছেন।
৫৬. নরসিংহগুপ্ত কোন হুনশাসককে পরাজিত করেছিলেন? *
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট নরসিংহগুপ্ত হুনশাসক মিহিরকুলকে পরাজিত করেছিলেন।
৫৭. গুপ্তযুগে সমগ্র সাম্রাজ্য কীসে বিভক্ত ছিল?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে সমগ্র সাম্রাজ্য ভুক্তিতে বিভক্ত ছিল।
৫৮. ভুক্তির শাসনকর্তাকে কী বলা হত?
উত্তর ঃ ভুক্তির শাসনকর্তাকে 'উপরিক' বা 'উপরিক মহারাজা' বলা হত।
৫৯. ভুক্তিগুলি কীসে বিভক্ত ছিল?
উত্তর ঃ ভুক্তিগুলি বিষয় বা জেলায় বিভক্ত ছিল।
৬০. জেলার শাসনকর্তাকে কী বলা হত?
উত্তর ঃ জেলার শাসনকর্তাকে কুমারমাত্য, তাযুক্ত বা বিষয়পতি বলা হত।
৬১. বিষয়গুলি কীসে বিভক্ত ছিল?
উত্তর ঃ বিষয়গুলি বীথি-তে বিভক্ত ছিল।
৬২. বীথি কীসে বিভক্ত ছিল?
উত্তর ঃ বীথি গ্রামে বিভক্ত ছিল।
৬৩. গ্রামের শাসনকর্তাকে কী বলা হত?
উত্তর ঃ গ্রামের শাসনকর্তাকে গ্রামিক বলা হত।
৬৪. নিগমসভার কাজ কী ছিল?
উত্তর ঃ গ্রামসভার কাজ ছিল নগর শাসন পরিচালনা করা।
৬৫. নগর শাসনের প্রধানকে কী বলা হত?
উত্তর ঃ নগর শাসনের প্রধানকে বলা হত 'পুরপাল' বা 'নগর রক্ষক'।
৬৬. গুপ্তযুগে সর্বোচ্চ রাজকর্মচারী কে ছিলেন?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে সর্বোচ্চ রাজকর্মচারী ছিলেন মন্ত্রী।
৬৭. গুপ্তযুগে খিলা কাকে বলা হত? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে অকর্ষিত জমিকে খিলা বলা হত।
৬৮. গুপ্তযুগে পুস্তপালের কাজ কী ছিল?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে পুস্তপালের কাজ ছিল জমির খুঁটিনাটি বিবরণ লিখে রাখা।
৬৯. গুপ্তযুগের কোন প্রথা সামন্ততন্ত্রের উদ্ভবের পথ প্রশস্ত করেছিল?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগের দেবদান প্রথা সামন্ততন্ত্রের উদ্ভবের পথ প্রশস্ত করেছিল।
৭০. অগ্রহার প্রথা কী? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে অগ্রহার প্রথা অনুসারে ব্রাহ্মণদের নিষ্কর জমি দান করা হত।
৭১. গুপ্তযুগে কাদের উদ্দেশ্যে শ্রেণি বা গিল্ড তৈরি করা হয়েছিল? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে কারিগর ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে শ্রেণি বা গিল্ড তৈরি করা হয়েছিল।
৭২. 'অমরকোষ' কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'অমরকোষ' রচনা করেছেন অমর সিংহ।
৭৩. গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্তের সময়ে কী কী ধরনের মুদ্রা ছিল?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্তের সময়ে ধনুর্ধারী, বীণাবাদনরত, বাঘছাপ, অশ্বমেধ টাইপ ইত্যাদি ধরনের মুদ্রা ছিল।
৭৪. 'হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থানের যুগ' কাকে বলা হয়?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগকে 'হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থানের যুগ' বলা হয়।
৭৫. কোন যুগকে ইতিহাসে সুবর্ণযুগ বলা হয়? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগকে ইতিহাসে সুবর্ণযুগ বলা হয়।
24mcq
৭৬. 'কিরাতার্জুনীয়ম' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'কিরাতার্জুনীয়ম' গ্রন্থটি রচনা করেছেন ভারবি।
৭৭. 'পঞ্চতন্ত্র'-এর রচয়িতা কে? *
উত্তর ঃ 'পঞ্চতন্ত্র'-এর রচয়িতা হলেন বিষ্ণুশর্মা।
৭৮. 'দশকুমারচরিত' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'দশকুমারচরিত' গ্রন্থটি রচনা করেছেন দন্ডিণ।
৭৯. 'কামসূত্র' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'কামসূত্র' গ্রন্থটি রচনা করেছেন বাৎস্যায়ন।
৮০. 'হিতোপদেশ' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন? *
উত্তর ঃ 'হিতোপদেশ' গ্রন্থটি রচনা করেছেন নারায়ণ শর্মা।
৮১. প্রথম কোন ভারতীয় বলেছিলেন যে পৃথিবী তার কক্ষপথে সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান? *
উত্তর ঃ পৃথিবী তার কক্ষপথে সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান একথা প্রথম বলেছিলেন ভারতীয় জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট।
৮২. বরাহমিহির কোন কোন গ্রন্থগুলি রচনা করেছিলেন? *
উত্তর ঃ বরাহমিহির পঞ্চসিন্ধান্তিকা, বৃহৎ সংহিতা, বৃহজ্জাতক ও লঘুজাতক প্রভৃতি গ্রন্থগুলি রচনা করেছিলেন।
৮৩. কোন সময়ে দশমিকের ব্যবহার আবিষ্কৃত হয়েছিল? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে দশমিকের ব্যবহার আবিষ্কৃত হয়েছিল।
৮৪. মেহেরৌলির লৌহস্তম্ভের বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি কী? *
উত্তর ঃ মেহেরৌলির লৌহস্তম্ভের বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি হল এটি তৈরির সময় মরিচা না পড়ার সুবন্দোবস্ত করা হয়েছিল।
৮৫. কোথায় 'মঞ্জুশ্রী অবলোকিতেশ্বর' মূর্তি কোথায় পাওয়া গেছে?
উত্তর ঃ সারনাথে 'মঞ্জুশ্রী অবলোকিতেশ্বর' মূর্তি পাওয়া গেছে।
৮৬. কোন সময়কে ভারতীয় 'মন্দির স্থাপত্যের সূচনাকাল' বলা হয়?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগকে ভারতীয় 'মন্দির স্থাপত্যের সূচনাকাল' বলা হয়।
৮৭. গুপ্তযুগের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গুহামন্দিরের নাম লেখ।
উত্তর ঃ গুপ্তযুগের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গুহামন্দির হল অজান্তা, ইলোরা, উদয়গিরি প্রভৃতি।
৮৮. গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন হয় কবে?
উত্তর ঃ আনুমানিক ৫৫০ খ্রিস্টাব্দে গুপ্তবংশের পতন হয়েছিল।
৮৯. মেহেরৌলির লৌহস্তম্ভটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর ঃ মেহেরৌলির লৌহস্তম্ভটি দিল্লির কুতুবমিনারের কাছে অবস্থিত।
৯০. প্রথম কোন ভারতীয় গণিতকে স্বতন্ত্র বিষয় হিসাবে মর্যাদা দিয়েছিলেন?
উত্তর ঃ প্রথম ভারতীয় হিসাবে আর্যভট্ট গণিতকে স্বতন্ত্র বিষয় হিসাবে মর্যাদা দিয়েছিলেন।
৯১. কোন ভারতীয় সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের কারন আবিষ্কার করেছিলেন? *
উত্তর ঃ আর্যভট্ট সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের কারন আবিষ্কার করেছিলেন।
৯২. গুপ্তবংশের কোন সম্রাট প্রথম রৌপ্যমুদ্রা প্রচলন করেছিলেন?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত প্রথম রৌপ্যমুদ্রা প্রচলন করেছিলেন।
৯৩. গুপ্তযুগে ক্ষেত্র বলতে কী বোঝানো হত? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে ক্ষেত্র বলতে কর্ষণযোগ্য জমিকে বোঝানো হত।
৯৪. হুন নেতা তোরমানকে পরাজিত করেছিলেন কোন গুপ্তসম্রাট? *
উত্তর ঃ হুন নেতা তোরমানকে পরাজিত করেছিলেন গুপ্তসম্রাট ভানুগুপ্ত।
৯৫. কোন গুপ্তরাজার সমসাময়িক ছিলেন মহাকবি কালিদাস?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সমসাময়িক ছিলেন গুপ্তযুগের বিখ্যাত লেখক মহাকবি কালিদাস।
৯৬. গুপ্তযুগে মহাবলাধিকৃত কাকে বলা হত?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে মহাবলাধিকৃত বলা হত প্রধান সেনাপতিকে।
৯৭. মৌর্যযুগের কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের সাথে গুপ্তযুগের কোন বইটিকে তুলনা করা হয়ে থাকে?
উত্তর ঃ কামন্দকের নীতিসার গ্রন্থটিকে মৌর্যযুগের কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের সাথে তুলনা করা হয়।
৯৮. কোন লেখকের রচনা থেকে গুপ্তযুগের বন্দরগুলি সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তর ঃ ফা-হিয়েনের রচনা থেকে গুপ্তযুগের বন্দরগুলি সম্পর্কে জানা যায়।
৯৯. গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্ত দাক্ষিণাত্যের কতগুলি রাজ্য জয় করেছিলেন? *
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্ত দাক্ষিণাত্যের ১২ টি রাজ্য জয় করেছিলেন।
১০০. গুপ্তবংশের কোন সম্রাট নিজের রাজ্য রক্ষার জন্য শকদের হাতে নিজের স্ত্রীকে সমর্পণ করেছিলেন?
উত্তর ঃ গুপ্তসম্রাট রামগুপ্ত নিজের রাজ্য রক্ষার জন্য শকদের হাতে নিজের স্ত্রীকে সমর্পণ করেছিলেন।
১০১. প্রথম কে বলেছিলেন যে, 'পৃথিবী গোলাকার' ? *
উত্তর ঃ 'পৃথিবী গোলাকার' -এই কথাটি প্রথম বলেছিলেন আর্যভট্ট।
১০২. কোন যুগে অজান্তা গুহা তৈরি হয়েছিল? *
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে অজান্তা গুহা তৈরি হয়েছিল।
১০৩. গুপ্তযুগের সরকারি ভাষা কোনটি ছিল? *
উত্তর ঃ সংস্কৃত ছিল গুপ্তযুগের সরকারি ভাষা।
১০৪. গুপ্তযুগে সোনার মুদ্রাগুলি কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর ঃ গুপ্তযুগে সোনার মুদ্রাগুলি দিনার নামে পরিচিত ছিল।
১০৫. বীজগণিত কে আবিষ্কার করেছিলেন? *
উত্তর ঃ বীজগণিত আবিষ্কার করেছিলেন গুপ্তযুগের বিখ্যাত বিজ্ঞানী আর্যভট্ট।
24mcq
24 mcq

0 Comments