⟹ আর্যদের বাসস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ঃ -
১. ' আর্য ' শব্দের অর্থ লেখ । *
উত্তর ঃ ' আর্য ' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল 'সৎবংশজাত'।
২. আর্যরা কখন ভারতে আসেন ?
উত্তর ঃ আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আর্যরা ভারতে আসেন ।
৩. আর্যরা ছিল ভারতীয় -এই অভিমতের সমর্থক কারা ?
উত্তর ঃ আর্যরা ছিল ভারতীয় -এই অভিমতের সমর্থক হলেন - (ক) গঙ্গানাথ ঝা , ডি এস ত্রিবেদী , বি বি লাল প্রমুখেরা বলেন আর্যরা মুলতানের অন্তর্গত দেবিকা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাস করত । (খ) ঐতিহাসিক কাল্লা -এর মতে আর্যরা কাশ্মীর ও হিমালয়ের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত তরাই অঞ্চলে বসবাস করত । (গ) আর্যরা সপ্তসিন্ধু অঞ্চলে বসবাস করত -এরূপ অভিমত পোষণ করেন ঐতিহাসিক এ সি দাস ।
৪. আর্যরা ছিলেন বহিরাগত -এই অভিমতের সমর্থক কারা ?
উত্তর ঃ আর্যরা ছিলেন বহিরাগত -এই অভিমতের সমর্থক হলেন - (ক) ঐতিহাসিক বি জি তিলক বলেছেন আর্যরা সুমেরু অঞ্চলে বসবাস করতেন । (খ) ম্যাক্সমুলারের মতানুযায়ী আর্যরা ছিলেন মধ্য এশিয়াবাসী। (গ) পি গাইলস -এর মতে আর্যরা ছিলেন হাঙ্গেরির বাসিন্দা ।
৫. আর্যদের বাসস্থান সম্পর্কে ব্রান্ডেনস্টাইন -এর মতটি পোষণ কর । ***
উত্তর ঃ ব্রান্ডেনস্টাইন -এর মতে আর্যরা সাইবেরিয়ার দক্ষিণে কিরঘিজের স্তেপ অঞ্চলে থাকত । উল্লেখ্য , এটি সর্বাধিক সমর্থিত ও গ্রহণযোগ্য মতামত ।
৬ সিন্ধুর অধিবাসীরা আর্যদের কাছে কী নামে পরিচিত ছিল ?
উত্তর ঃ সিন্ধুর অধিবাসীরা আর্যদের কাছে 'দশায়ুস' নামে পরিচিত ছিল ।
⇒ ঋগবৈদিক যুগ ঃ -
১. ঋগবৈদিক যুগে পরিবারের কর্তাকে কী বলা হত ? **
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে পরিবারের কর্তাকে 'কুলপতি' বলা হত ।
২. ঋগবৈদিক যুগে গ্রামের পরিচালককে কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে গ্রামের পরিচালককে 'গ্রামণী' বলা হত ।
৩. ঋগবৈদিক যুগে বিশ বা জনের প্রধানকে কী বলা হত ? *
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে বিশ বা জনের প্রধানকে 'বিশপতি' বা 'রাজন' বলা হত ।
৪. ঋগবৈদিক যুগে রাজাকে কারা পরামর্শ দান করতেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে রাজাকে শাসনকার্য পরিচালনার জন্য 'সভা' ও 'সমিতি' নামে দুটি প্রতিষ্ঠান ছিল ।
৫. সভা কাকে বলে ?
উত্তর ঃ শাসনকার্য পরিচালনার জন্য বিত্তবান ও ব্রাহ্মণদের নিয়ে গঠিত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে সভা বলা হয় ।
৬. সমিতি কাকে বলে ?
উত্তর ঃ সাধারণভাবে সমিতি ছিল বৃহত্তর জনসংগঠন । যেখানে বিশ বা জনের সমস্ত ধরণের মানুষেরা শাসন পরিচালনার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারতেন ।
৭. ঋগবৈদিক যুগে 'বিদথ' নামক প্রতিষ্ঠানটিতে কী বিষয়ে আলোচনা করা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে 'বিদথ' নামক প্রতিষ্ঠানটিতে যুদ্ধ বিষয়ে আলোচনা করা হত ।
৮. 'পুরচরিষ্ণু' কথাটির অর্থ কী ? ***
উত্তর ঃ 'পুরচরিষ্ণু' কথাটির অর্থ হল চলমান দুর্গ ।
৯. ঋগবৈদিক যুগে যারা পশুচারণভূমির তদারকির দায়িত্বে থাকতেন তাদের কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে যারা পশুচারণভূমির তদারকির দায়িত্বে থাকতেন তাদের 'ব্রজপতি' বলা হত ।
১০. 'দাশরাজ্ঞ' বা 'দশ রাজার যুদ্ধ' -এর বিবরণ কোথায় পাওয়া যায় ? *
উত্তর ঃ 'দাশরাজ্ঞ' বা 'দশ রাজার যুদ্ধ' -এর বিবরণ পাওয়া যায় ঋগবেদের সপ্তম মন্ডলে ।
১১. ঋগবৈদিক যুগে সমাজের মূল ভিত্তি কী ছিল ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে সমাজের মূল ভিত্তি ছিল পরিবার । পরিবারগুলি ছিল প্রধানত একান্নবর্তী ।
১২. চতুর্বর্ণের সৃষ্টির উল্লেখ কোথায় পাওয়া যায় ?
উত্তর ঃ চতুর্বর্ণের সৃষ্টির উল্লেখ পাওয়া যায় ঋগবেদের দশম মণ্ডলে ।
১৩. অনুলোম বিবাহ কাকে বলে ?
উত্তর ঃ উচ্চবর্ণের পাত্র এবং নিন্মবর্ণের পাত্রীর মধ্যে বিবাহ হলে তাকে অনুলোম বিবাহ বলা হয় ।
১৪. প্রতিলোম বিবাহ কাকে বলে ?
উত্তর ঃ উচ্চবর্ণের পাত্রী এবং নিন্মবর্ণের পাত্রের মধ্যে বিবাহ হলে তাকে প্রতিলোম বিবাহ বলা হয় ।
১৫. বৈদিক যুগের কয়েকজন শিক্ষিত নারীর নাম লেখ । ***
উত্তর ঃ অপালা , ঘোষা , বিশ্ববারা , লোপামুদ্রা , গার্গী , বিশাখা ছিলেন বৈদিক যুগের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য নারী ।
১৬. ব্রহ্মবাদিনী কাঁদের বলা হত ?
উত্তর ঃ বৈদিক যুগে যেসব নারীরা সারাজীবন বেদ পাঠ করে উপবীত ধারন করে জীবন কাটাতেন তাদের ব্রহ্মবাদিনী বলা হত ।
১৭. বৈদিক যুগের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য নারীসেনার নাম লেখ । ***
উত্তর ঃ বৈদিক যুগের কয়েকজন উল্লেখযোগ্য নারীসেনা হলেন মুদ্গলানী , বিষপলা , বধ্রিয়সী , শশীয়সী প্রমুখ ।
১৮. 'বাস' ও 'অধিবাস' কী ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে শরীরের নিন্মাঙ্গে পরিধান করা বস্ত্রকে বাস বলা হত এবং ঊর্ধ্বাঙ্গে পরিধান করা বস্ত্রকে অধিবাস বলা হত ।
১৯. ঋগবেদে উল্লিখিত 'গাভিষ্টি ' শব্দের অর্থ কী ? **
উত্তর ঃ ঋগবেদে উল্লিখিত 'গাভিষ্টি ' শব্দের অর্থ হল গোরুর অনুসন্ধান ।
২০. ঋগবৈদিক যুগের প্রধান কৃষিপণ্য কী ছিল ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগের প্রধান কৃষিপণ্য ছিল যব ।
২১.ঋগবেদে উল্লিখিত 'গাধূম' শব্দের অর্থ কী ? *
উত্তর ঃ ঋগবেদে উল্লিখিত 'গাধূম' শব্দের অর্থ হল 'গম' ।
২২. ঋগবেদে উল্লিখিত 'ব্রীহি' শব্দের অর্থ কী ? *
উত্তর ঃ ঋগবেদে উল্লিখিত 'ব্রীহি' শব্দের অর্থ হল 'ধান' ।
২৩. ঋগবৈদিক যুগের হালধারী কৃষকদের কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগের হালধারী কৃষকদের 'কীণাশ' বলা হত ।
২৪. ঋগবৈদিক যুগের মুদ্রার নাম কী ? ***
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে মনা , নিস্ক , হিরণ্যপিন্ড নামক মুদ্রা দেখা যেত ।
২৫. ঋগবৈদিক যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ দেবতার নাম কী ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ দেবতার নাম ইন্দ্র । তাঁর উদ্দেশ্যে প্রায় ২৫০ টি স্তোত্র আছে ।
২৬. ঋগবৈদিক যুগে দেবতাদের পিতা কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে দেবতাদের পিতা ছিলেন দৌঃ । ইনি স্বর্গের দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীনতম দেবতা ।
২৭. ঋগবৈদিক যুগে মাতৃত্বের দেবী কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে মাতৃত্বের দেবী ছিলেন পৃথ্বী ।
২৮. ঋগবৈদিক যুগে ঝড়ের দেবতা কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে ঝড়ের দেবতা ছিলেন মরুৎ ।
২৯. ঋগবৈদিক যুগে প্রলয়ের দেবতা কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে প্রলয়ের দেবতা ছিলেন রুদ্র ।
৩০. ঋগবৈদিক যুগে স্বর্গরাজ্যের সম্রাট কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে স্বর্গরাজ্যের সম্রাট ছিলেন বরুণ ।
৩১. ঋগবৈদিক যুগে সোমরসের দেবতা কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে সোমরসের দেবতা ছিলেন সোম ।
৩২. ঋগবেদে দেবতা অগ্নির জন্য কটি স্তোত্র আছে ?
উত্তর ঃ ঋগবেদে দেবতা অগ্নির জন্য প্রায় ২০০ টি স্তোত্র আছে ।
৩৩. দেবতাদের পুরোহিত কাকে বলা হয় ?
উত্তর ঃ অগ্নিকে দেবতাদের পুরোহিত বলা হয় ।
৩৪. বৈদিক যুগের কয়েকটি যজ্ঞের নাম লেখ । *
উত্তর ঃ বৈদিক যুগের কয়েকটি যজ্ঞ হল - অশ্বমেধ , রাজসূয় , বাজপেয় , অগ্নিহোত্র ।
৩৫. বেদ শব্দের উৎপত্তি কোথা থেকে ?
উত্তর ঃ বেদ এসেছে 'বিদ' থেকে যার সংস্কৃত অর্থ হল 'জানা' বা 'জ্ঞান' ।
৩৬. বৈদিক সাহিত্যের সূচনাকাল কবে ?
উত্তর ঃ আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দকে বৈদিক সাহিত্যের সূচনা কাল হিসাবে ধরা হয় ।
৩৭. বেদ কোন ভাষায় রচিত ?
উত্তর ঃ পৃথিবীর প্রাচীনতম সাহিত্যিক উপাদান বেদ সংস্কৃত ভাষায় রচিত ।
৩৮. বেদের অপর নাম কী ?
উত্তর ঃ বেদের অপর নাম শ্রুতি বা স্মৃতি ।
৩৯. বৈদিক সাহিত্যকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ও কী কী ?
উত্তর ঃ বৈদিক সাহিত্যকে চার ভাগে ভাগ করা হয় । যথা - (ক) সংহিতা (খ) ব্রাহ্মণ (গ) আরণ্যক (ঘ) উপনিষদ বা বেদান্ত ।
৪০. সংহিতা -কে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী ?
উত্তর ঃ সংহিতা -কে চার ভাগে ভাগ করা যায় । যথা - ঋগবেদ , সামবেদ , যজুর্বেদ , অথর্ববেদ ।
৪১. ঋগবেদের আলোচ্য বিষয় কী ?
উত্তর ঃ ঋগবেদের আলোচ্য বিষয় হল আর্যদের সমাজজীবন ।
৪২. সামবেদের আলোচ্য বিষয় কী ?
উত্তর ঃ সামবেদ আমাদের দেবতাদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত স্তুতিগান সম্পর্কে অবহিত করে ।
৪৩. যজুর্বেদের আলোচ্য বিষয় কী ?
উত্তর ঃ যজুর্বেদের আলোচ্য বিষয় হল যাগযজ্ঞের নিয়মকানুন ।
৪৪. অথর্ববেদের আলোচ্য বিষয় কী ?
উত্তর ঃ আয়ুর্বেদের বিষয়ে আলোচনা করে অথর্ববেদ ।
৪৫. কোন বেদের কোনো আরণ্যক শাখা নেই ? *
উত্তর ঃ অথর্ববেদের কোন আরণ্যক শাখা নেই ।
৪৬. ঋগবেদে পুরোহিতকে কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবেদে পুরোহিতকে ঋত্বিক বা হোতা বলা হত ।
৪৭. ঋগবেদে মোট কতগুলি সূক্ত বা ঋক আছে ?
উত্তর ঃ ঋগবেদে মোট ১০২৮ টি সূক্ত আছে ।
৪৮. আয়ুর্বেদের আলোচ্য বিষয় কী ?
উত্তর ঃ আয়ুর্বেদের আলোচ্য বিষয় হল ভেষজবিদ্যা বা স্বাস্থ্য ।
৪৯. 'উদ্গাতা' ও 'উদ্গীত' কাকে বলে ?
উত্তর ঃ সামবেদের স্তুতিগানের প্রথম অংশ যে নিবেদন করে তাকে 'উদ্গাতা' বলা হয় এবং তাঁর গেয় অংশটিকে বলা হয় 'উদ্গীত' ।
৫০. সামবেদের উপবেদের নাম কী ?
উত্তর ঃ সামবেদের উপবেদের নাম হল গান্ধর্ব বেদ , এর আলোচ্য বিষয় হল সংগীত ।
৫১. যজুর্বেদের উপবেদের নাম কী ?
উত্তর ঃ যজুর্বেদের উপবেদের নাম হল ধনুর্বেদ , এটি ধনুর্বিদ্যা বা যুদ্ধবিদ্যা নিয়ে আলোচনা করে ।
৫২. ঋগবেদের কয়টি ভাগ ?
উত্তর ঃ ঋগবেদের পাঁচটি ভাগ । কিন্তু বর্তমানে শুধু 'শাকল' শাখার অস্তিত্ব আছে ।
৫৩. 'সাম' শব্দের উৎপত্তি কোথা থেকে ?
উত্তর ঃ 'সাম' শব্দের উৎপত্তি হয়েছে 'সামন' থেকে ।
৫৪. 'প্রস্তোতা' কাকে বলে ?
উত্তর ঃ সামবেদের স্তুতিগানের যিনি দ্বিতীয় অংশের নিবেদন করেন তাকে 'প্রস্তোতা' বলা হয় ।
৫৫. 'প্রতিহর্তা' কাকে বলে ?
উত্তর ঃ সামবেদের স্তুতিগানের যিনি তৃতীয় অংশের নিবেদন করেন তাকে 'প্রতিহর্তা' বলা হয় ।
৫৬. 'নিধন' কাকে বলে ?
উত্তর ঃ সামবেদের স্তুতিগানে যে তিনজন ঋষি থাকেন তাদের সম্মিলিত ভাবকে 'নিধন' বলা হয় ।
৫৭. যজুর্বেদকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী ?
উত্তর ঃ যজুর্বেদকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় । যথা - (ক) কৃষ্ণ যজুর্বেদ (খ) শুক্ল যজুর্বেদ ।
৫৮. শুক্ল যজুর্বেদের উপশাখাটির নাম কী ?
উত্তর ঃ শুক্ল যজুর্বেদের উপশাখাটির নাম হল 'বাজসনেয় সংহিতা' । এতে ৪০ টি অধ্যায় আছে ।
৫৯. শুক্ল যজুর্বেদের ব্রাহ্মণ শাখার নাম কী ? *
উত্তর ঃ শুক্ল যজুর্বেদের ব্রাহ্মণ শাখার নাম হল 'শতপথ ব্রাহ্মণ' ।
৬০. অথর্ববেদের আদি নামটি কী ?
উত্তর ঃ অথর্ববেদের আদি নামটি হল 'অথর্বাঙ্গিরস' ।
৬১. বৃহত্তম ব্রাহ্মণ গ্রন্থের নাম কী ?
উত্তর ঃ বৃহত্তম ব্রাহ্মণ গ্রন্থের নাম হল শতপথ ব্রাহ্মণ ।
৬২. ঋগবেদের আরণ্যকের নাম কী ?
উত্তর ঃ ঋগবেদের আরণ্যকের নাম ঐতরেয় আরণ্যক ।
৬৩. সামবেদের আরণ্যকের নাম কী ?
উত্তর ঃ সামবেদের আরণ্যকের নাম হল ষড়বিংশ ।
৬৪. যজুর্বেদের আরণ্যকের নাম কী ?
উত্তর ঃ যজুর্বেদের আরণ্যকের নাম হল কঠ আরণ্যক ।
৬৫. মার্কণ্ডেয় পুরাণে ভারতকে কী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে ?
উত্তর ঃ মার্কণ্ডেয় পুরাণে ভারতকে 'জম্বুদ্বীপ' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে ।
৬৬. ঋগবেদে ইন্দ্রের অপর নাম কী ? ***
উত্তর ঃ ঋগবেদে ইন্দ্রের অপর নাম হল পুরন্দর বা নগরধ্বংসকারী ।
৬৭. ঋগবেদে কাঠের কারিগরকে কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবেদে কাঠের কারিগরকে তক্ষক বলা হত ।
৬৮. ঋগবেদে চর্মকারকে কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবেদে চর্মকারকে চর্মন্ন বলা হত ।
৬৯. ঋগবেদে স্বর্ণকারকে কী বলা হত ?
উত্তর ঃ ঋগবেদে স্বর্ণকারকে হিরণ্যকার বলা হত ।
৭০. অথর্ববেদে খন্ডসংখ্যা কয়টি ?
উত্তর ঃ অথর্ববেদে খন্ডসংখ্যা ২০ টি ।
৭১. ঋগবৈদিক যুগে আলোর দেবতা কে ছিলেন ?
উত্তর ঃ ঋগবৈদিক যুগে আলোর দেবতা ছিলেন মিত্র ।
৭২. বৈদিক যুগে খিল্য বলতে কী বোঝানো হত ?
উত্তর ঃ বৈদিক যুগে খিল্য বলতে কর্ষিত ভূমিকে বোঝানো হত ।
৭৩. কোন রাজনৈতিক সভা ' নারিস্তা ' নামে পরিচিত ছিল ? *
উত্তর ঃ 'সভা' - নারিস্তা নামে পরিচিত ছিল ।
৭৪. কোন নদীর তীরে 'দশ রাজার যুদ্ধ' হয়েছিল ?
উত্তর ঃ রাভি নদীর তীরে 'দশ রাজার যুদ্ধ' হয়েছিল ।
৭৫. 'গোত্র' শব্দটি প্রথম কোথায় পাওয়া যায় ?
উত্তর ঃ 'গোত্র' শব্দটি প্রথম পাওয়া যায় ঋগবেদে ।
৭৬. 'অঘ্ন্য' শব্দের অর্থ কী ? **
উত্তর ঃ 'অঘ্ন্য' শব্দের অর্থ হল গোরু ।
৭৭. 'সত্যমেব জয়তে' কথাটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে ? ***
উত্তর ঃ মুন্ডক উপনিষদ থেকে 'সত্যমেব জয়তে' কথাটি নেওয়া হয়েছে ।
⇒ পরবর্তী বৈদিক যুগ ঃ-
১. পরবর্তী বৈদিক যুগের সময়কাল কত ?
উত্তর ঃ ১০০০ থেকে ৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত সময়কে পরবর্তী বৈদিক যুগ হিসাবে ধরা হয় ।
২. ঐতরেয় ব্রাহ্মণে ' উদীচীদিশ ' বলতে কোন জায়গাকে বোঝানো হেয়েছে ?
উত্তর ঃ ঐতরেয় ব্রাহ্মণে ' উদীচীদিশ ' বলতে উত্তর ভারতকে বোঝানো হেয়েছে ।
৩. 'অয়স' কথাটির অর্থ কী ? *
উত্তর ঃ 'অয়স' কথাটির অর্থ লোহা ।
৪. পরবর্তী বৈদিক যুগের মুদ্রার নাম লেখ ?
উত্তর ঃ পরবর্তী বৈদিক যুগের দুটি মুদ্রা হল কৃষ্ণল , শতমান ।
৫. পরবর্তী বৈদিক যুগে কোন দেবতাকে যজ্ঞের প্রতীক হিসাবে ধরা হয় ?
উত্তর ঃ পরবর্তী বৈদিক যুগে দেবতা 'প্রজাপতি' -কে যজ্ঞের প্রতীক হিসাবে ধরা হয়
৬. দেহবাদী তত্ত্ব কারা প্রচার করেন ?
উত্তর ঃ দেহবাদী তত্ত্ব প্রচার করেন চার্বাকরা ।
৭. উত্তর মীমাংসার অপর নাম কী ? **
উত্তর ঃ উত্তর মীমাংসার অপর নাম 'বেদান্ত' ।
৮. গায়ত্রী মন্ত্রটি কে রচনা করেছিলেন ? ***
উত্তর ঃ গায়ত্রী মন্ত্রটি রচনা করেছিলেন ঋষি বিশ্বামিত্র । এটি দেবী সাবিত্রীর উদ্দেশ্যে নিবেদিত ।
৯. ন্যায়শাস্ত্রের রচয়িতা কে ? ***
উত্তর ঃ ন্যায়শাস্ত্রের রচয়িতা হলেন মহর্ষি গৌতম ।
১০. বৈদিক যুগে অনার্যদের আর্যসমাজের অন্তর্ভুক্ত করা হত কীসের মাধ্যমে ?
উত্তর ঃ বৈদিক যুগে অনার্যদের আর্যসমাজের অন্তর্ভুক্ত করা হত ব্রাত্যষ্টোম যজ্ঞের মাধ্যমে ।
১১. পরবর্তী বৈদিক যুগে ধনী বণিক শ্রেণীকে কী বলে অভিহিত হত ?
উত্তর ঃ পরবর্তী বৈদিক যুগে ধনী বণিক শ্রেণীকে শ্রেষ্ঠী বলা হত ।
১২. ভারতীয় পুরাণের সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর ঃ ভারতীয় পুরাণের সংখ্যা ১৮ টি ।
১৩. পরবর্তী বৈদিক যুগে প্রচলিত কয়েকটি করের নাম লেখ ।
উত্তর ঃ পরবর্তী বৈদিক যুগে প্রচলিত কয়েকটি কর হল - বলি , ভাগ ও শুল্ক ।
১৪. সাংখ্যদর্শন কে রচনা করেন ? **
উত্তর ঃ সাংখ্যদর্শন রচনা করেন কপিল মুনি ।
১৫. 'ত্রপু' কথাটির অর্থ কী ?
উত্তর ঃ 'ত্রপু' কথাটির অর্থ হল টিন ।
১৬. সংস্কৃত ব্যাকরণ কে রচনা করেন ? ***
উত্তর ঃ সংস্কৃত ব্যাকরণ রচনা করেন পাণিনি ।
১৭. পতঞ্জলি কীসের জন্য বিখ্যাত ? ***
উত্তর ঃ পতঞ্জলি যোগসূত্রের জন্য বিখ্যাত ।
24mcq
24 mcq

0 Comments